Saturday, 2 April 2022

বাচ্চাদের শাসন করার শর‘ঈ পদ্ধতি

 

বাচ্চাদের শাসন করার শর‘ঈ পদ্ধতি


চারাগাছটিকে যেমন সার-পানি, আলো-বাতাস দিয়ে পুষ্টি যোগাতে হয়। মানব শিশুকেও তেমন আদব-কায়দা, শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে সভ্যতার উপাদান সরবরাহ করতে হয়। আগাছা তুলে না দিলে, বাড়তি ডালপালা ছেঁটে না দিলে চারাটি যেমন বৃক্ষ পরিণত হতে পারে না। তেমনি আদর-সোহাগের পাশাপাশি অনুশাসনের ছড়িটি না থাকলে মানব-শিশুটিও “মানুষ” হয়ে উঠতে পারে না। তবে সার-পানি, আর ডাল ছাঁটার কথাই বলি, কিংবা শিক্ষা-দীক্ষা আর অনুশাসনের কথাই ধরি- প্রয়োগ করতে হয় সুক্ষ্ণ কৌশলে ও সযত্ন প্রয়াসে। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে পরিচর্যাকারীকে হতে হয় একই সঙ্গে কুশলী ও সদা-সতর্ক। কারণ, চারাগছ ও শিশুর পরিচর্যা এমনই নাযুক যে, সামান্য অবজ্ঞা ও অবহেলায় এবং সামান্য অমনোযোগিতা ও অসতর্কতায় উভয়ের জীবনে নেমে আসে চরম সর্বনাশ।


অনেকে বাচ্চাদের বদ অভ্যাসের প্রেক্ষিতে রাগ বা শাসন করতে নারাজ। তাদের কথা হল, এখন কিছুই বলার দরকার নেই, বড় হলে সব এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে। এটা মারাত্মক ভুল। হাকীমুল উম্মত হযরত থানভী রহ. বলেছেন, বাচ্চাদের স্বভাব-চরিত্র যা গড়ার পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে গঠন হয়ে যায়। এর পর ভাল-মন্দ যেটাই হল তা মজবুত ও পাকাপোক্ত হতে থাকে, যা পরবর্তীতে সংশোধন করা কঠিন হয়ে পড়ে। সুতরাং বাচ্চা বুঝুক আর না বুঝুক ছোটবেলা থেকেই বুঝাতে থাকবে। এক সময় সে বুঝবে এবং উত্তম চরিত্র নিয়ে বড় হবে। (ইসলাহে খাওয়াতীন ২৫১-২৫২, তুহফাতুল উলামা-১/৪৮৩)


আজকাল বাসা-বাড়িতে, স্কুল-কলেজে, এমনকি দীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও (যারা শাসনের পক্ষে তাদের থেকে) বাচ্চাদের উপর শাসন নামের নির্যাতন চোখে পড়ে। সে শাসনের না আছে কোন মাত্রা, আর না আছে শাসিতের প্রতি হিতকামনা। এতে একদিকে শাসনকারী নিজেকে আল্লাহ তা‘আলার ধর-পাকড়ের সম্মুখীন করছে। অপরদিকে জুলূমের শিকার শিশু বা ছাত্র রাগে-ক্ষোভে হয়তো পড়া-লেখাই ছেড়ে দিচ্ছে বা আরো ঘোরতর অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে, বাচ্চাদের শাসন করার ক্ষেত্রে শরী‘আত নির্দেশিত পন্থা ও সীমা উপেক্ষা করা। (তুহফাতুল উলামা-১/৪৯৩)


চলমান পরচায় পিতা-মাতা ও শিক্ষক কর্তৃক সন্তান ও ছাত্রদের শাসন করার সহীহ পদ্ধতি বাতলে দেয়া হচ্ছে। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে বুঝার ও আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।


(১) কোন শিশু বা ছাত্র তার সাথীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে তা শোনামাত্রই মেজাজ বিগড়ানো যাবে না। কেননা, শরী‘আতে এক পক্ষের অভিযোগের গ্রহণযোগ্যতা নেই। কাজেই উভয় পক্ষের কথা না শুনে কোনরূপ সিদ্ধান্ত নেয়া বা একজনকে শাস্তি দেয়া যাবে না। অন্যথায় খোদ ফায়সালাকারীই জালেম সাব্যস্ত হবে। (ফাতাওয়া আলমগীরী, বৈরুত সংস্করণ-৩/৩০৯)


(২) সবার কথা শোনার পর যখন ফায়সালা করার ইচ্ছা করবে, মনের মধ্যে কোনরূপ রাগ বা গোস্বা স্থান দেয়া যাবে না। কারণ, রাগের সময় বিবেক বুদ্ধি লোপ পায়। ফলে অধিকাংশ সময়ই রাগের মাথায় ফায়সালা ভুল প্রমাণিত হয়। এ কারণেই রাগান্বিত অবস্থায় ফায়সালা দেয়া বা শাস্তি প্রদান করা শরী‘আতে নিষেধ। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং-৭১৫৮, মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-১৭১৭, তুহফাতুল উলামা-১/৪৮৬, ৪৯৮)


সুতরাং (ক) একেবারে ঠান্ডা মাথায়। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং-৭১৫৮, তুহফাতুল উলামা-১/৪৯০)


(খ) আল্লাহ তা‘আলাকে হাজির জেনে। (সূরা তাওবা, আয়াত-১০৫)


(গ) হাশরের ময়দানে জবাবদিহিতার কথা স্মরণে রেখে। (সূরা যিলযাল, আয়াত : ৮, বুখারী শরীফ হাদীস নং-৫১৮৮)


(ঘ) স্থান-কাল পাত্র বিবেচনা করে। (ফাতওয়া শামী-৪/৬০-৬১, কিতাবুল ফিকহু আলাল মাজহাবিল আরবা‘আ-৫/৩৫২, তুহাফাতুল উলামা-১/৪৮৫) যেমন পৃথক স্বভাবের কারণে কারো দুই থাপ্পড় আবার কারো জন্য দুই ধমক


(ঙ) অপরাধীর সংশোধনের নিয়তে। (সূরা হুদ, আয়াত-৮৮)


(চ) শরী‘আতের সীমার মধ্যে থেকে। যে শাস্তি সংগত মনে হয়-নির্ধারণ করবে। (সূরা বাকারা, আয়াত-১৯০)


(৩) শরী‘আতে নাবালেগ বাচ্চাকে বেত বা লাঠি দ্বারা প্রহার করার কোনো অবকাশ নেই। প্রয়োজনে ধমকি-ধামকি দিয়ে, কান ধরে উঠ-বস করিয়ে, এক পায়ে দাঁড় করিয়ে রেখে বা বিকেলে খেলা বন্ধ রেখে শাস্তি দেয়া যেতে পারে। একান্ত অপরাগতায় হাত দিয়ে প্রহার করার অনুমতি আছে (লাঠি বা বেত দিয়ে নয়)। কিন্তু কোনো ক্রমেই (ক) তার সংখ্যা যেন তিনের অধিক না হয়। (ফাতাওয়া শামী-১/৩৫২)

(খ) চেহারা ও নাযুক অঙ্গে যেমন মাথায় পেটে ইত্যাদিতে আঘাত করা হয়। (আদ দুররুল মুখতার-৪/১৩)

(গ) যখম হয়ে যায় বা কালো দাগ পড়ে যায় এমন জোরে না হয়। (ফাতাওয়া শামী-৪/৭৯) কারণ, নাবালেগ বাচ্চাকে এই অপরাধে তিনের অধিক প্রহার করা এবং (বালেগ, নাবালেগ সবার ক্ষেত্রেই) মুখমন্ডল ও নাযুক অঙ্গে আঘাত করা হারাম। আর বালেগ ছাত্রকে সংশোধনের উদ্দেশ্য তার অপরাধের ধরণ অনুযায়ী শরী‘আতের দন্ডবিধির আওতায় এনে (যা ২নং এ বর্ণিত হয়েছে) বেত ইত্যাদি দ্বারা সীমিত সংখ্যায় (সর্বোচ্চ ১০ (বুখারী শরীফ, হাদীস নং-৬৮৪৮, ৬৮৪৯, ৬৮৫০, কিতাবুল ফিকহ আলাল মাজহাবিল আরবা‘আ-৫/৩৫২)) প্রহার করা জায়িয আছে। উল্লেখ্য, বেত হতে হবে গিঁটহীন, সরল ও মাঝারী ধরনের মোটা, যা ব্যাথা পৌঁছাবে কিন্তু দাগ ফেলবে না। (ফাতাওয়া শামী-৪/১৩)


(৪) কোনো ধরনের অমানবিক শাস্তি দেয়া-যেমন, হাত-পা বেঁধে পিটানো, পিঠমোড়া করে বেঁধে রাখা, সিলিংয়ে ঝোলানো, কপালে পয়সা দিয়ে সূর্যের দিকে মুখ করে রাখা ইত্যাদি বিলকুল হারাম ও নাজায়িয। (সূরা বাকারা আয়াত: ১৯০, বুখারী শরীফ, হাদীস নং-২৪৪৭, তুহফাতুল উলামা-১/৪৯২)


(৫) ধমকি বা কড়া কথার মাধ্যমে হোক আর শরী‘আত অনুমোদিত প্রহারের মাধ্যমেই হোক- সতর্ক করার উত্তম তরীকা হল- সবার সামনে মজলিসে শাস্তি বিধান করা। যাতে অন্যদের জন্যও তা উপদেশ হয়ে যায়। (সূরা নূর, আয়াত-২)


এ ক্ষেত্রে যাকে শাস্তি দেয়া হবে, প্রথমে তাকে শাস্তি গ্রহণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে নেয়া। তাকে একথা বুঝানো যে, মানতে কষ্ট হলেও শাস্তির এই ব্যবস্থা মূলত তার কল্যাণের জন্য। এর দ্বারা শয়তান তার থেকে দূর হবে। তার দুষ্টামীর চিকিৎসা হবে। আর শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হলে এ শাস্তি দ্বারা তার পিতা-মাতা যে মহান উদ্দেশ্যে তাকে উস্তাদের হাতে সোপর্দ করেছেন- তা পূর্ণ হবে এবং শয়তানের চক্রান্ত ব্যর্থ হবে। ঠিক যেমন রোগীর কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও ডাক্তাররা তার অপারেশন করে থাকে। এতে কিন্তু রোগী অসন্তুষ্ট হয় না বরং ডাক্তারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং তাকে “ফি” ও দিয়ে থাকে।

(৬) এরপর শাস্তি প্রদানকারী পিতা-মাতা বা উস্তাদ শাস্তি প্রদানের পূর্বে নিন্মোক্ত দু‘আটি অবশ্যই পড়ে নিবেন 


اللَّهُمَّ انِّي اتَّخِذُ عِنْدَكَ عَهْدًا لَنْ تُخْلِفَنِيهِ فَانَّمَا انَا بَشَرٌ فَايُّ الْمُؤْمِنِينَ اذَيْتُهُ اوْ شَتَمْتُهُ اوْ لَعَنْتُهُ اوْ جَلَدْتُهُ فَاجْعَلْهَا لَهُ زَكَاةً وَصَلَاةً وَقُرْبَةً تُقَرِّبُهُ بِهَا الَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ . [مسند احمد: ١٥ / ٤٩٨ حـ:٩٨٠٢]


 [অর্থ:- হে আল্লাহ, আমি তোমার তরফ থেকে অবশ্য পূরণীয় একটি ওয়াদা কামনা করছি, (ওয়াদাটা হল) আমি একজন মানুষ হিসেবে (ভুলবশত) কোন মুমিন বান্দাকে কষ্ট দিলে, গালি দিলে, বদ দু‘আ দিলে, প্রহার করলে তুমি সেটাকে তার জন্য পবিত্রতা, নেয়ামত ও নৈকট্যের ওসীলা করে দিও এবং কিয়ামতের দিন এর দ্বারা তাকে তোমার নৈকট্য দান করো। (মুসনাদে আহমদ-২/৪৪৯, হাদীস নং-৯৮১৬)]


এবং উস্তাদ মনে মনে এই খেয়াল করবে, “এই তালিবে ইলম নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের মেহমান। (তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং-২৬৫০, ২৬৫৬)


সুতরাং এ হল শাহাজাদা, আর আমি তার শাস্তি বিধানকারী জল্লাদ মাত্র। আমাকে তার সংশোধনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলেই তাকে প্রহার করছি। আল্লাহ তা‘আলার কাছে তার মর্যাদা তো আমার চেয়ে বেশী ও হতে পারে। (তারপর পূর্ব নির্ধারিত শাস্তি প্রয়োগ করবে)।


(৭) শাস্তি প্রয়োগের সময় রাগান্বিত অবস্থায় শাস্তি প্রয়োগ করবে না। তবে কৃত্রিম রাগ প্রকাশ করতে পারবে। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং-৭১৫৮, মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-১৭১৭)


(৮) কোন বাচ্চার দ্বারা অন্য বাচ্চাকে বা এক ছাত্রের দ্বারা অপর ছাত্রকে শাস্তি দিবে না। এটা শাস্তি প্রদানের ভুল পন্থা। এতে বাচ্চাদের মধ্যে পরস্পরে দুশমনী সৃষ্টি হয়। (তুহফাতুল উলামা-১/৪৯২)


(৯) শাস্তি প্রদান শেষে অন্যান্য ছাত্রদের বলে দিবে, “এ ব্যাপারে এর সঙ্গে কেউ ঠাট্টা বিদ্রূপ করলে তাকেও কঠোর শাস্তি দেয়া হবে। তা ছাড়া ঠাট্টা বিদ্রূপ করা অনেক বড় গুনাহ এবং পরবর্তিতে বিদ্রূপকারী নিজেও ঐ বিপদে পড়ে যায়। সুতরাং তোমরা তার জন্য এবং নিজেদের সংশোধনের জন্য আল্লাহ তা‘আলার কাছে দু‘আ করতে থাকবে।” (সূরা হুজুরাত, আয়াত-১১, তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং-২৫০৫)


 (১০) বাচ্চাদের দায়িত্ব হল, শাস্তিদাতা পিতা-মাতা বা শিক্ষকের শুকরিয়া আদায় করা এবং তার জন্য আল্লাহর দরবারে মঙ্গলের দু‘আ করা। কারণ, তিনি কল্যাণ কামনা করেই শাস্তি দেয়ার কষ্ট বরদাশত করেছেন। সুতরাং কোন অবস্থায়ই সেই মুরুব্বীদের উপর মন খারাপ করবে না ও তার সমালোচনা করবে না। (সূরা আর রাহমান, আয়াত-৬০, তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং-১৯৫৯, ১৯৬০)


 (১১) শাস্তির পরিমাণ বেশী হয়ে গেছে আশংকা করলে পরবর্তীতে শাস্তিপ্রাপ্তকে ডেকে আদর করবে এবং ২/৫ টাকা বা অন্য কিছু হাদিয়া দিয়ে অন্য কোন উপায়ে খুশি করে দিবে। যাতে উস্তাদের প্রতি তার সু ধারণা বজায় থাকে, বিতৃষ্ণা সৃষ্টি না হয় এবং আখেরাতে এর জন্য কোন দাবী না রাখে। (তুহফাতুল উলামা-১/৪৯৭)


(১২) প্রতিষ্ঠান-প্রধানের কর্তব্য, হল, সকল শিক্ষককে দুষ্ট ছাত্রদের ব্যাপারে রিপোর্ট দিতে বলবেন, কিন্তু সকলকে প্রহারের শাস্তির অনুমতি দিবেন না। কারণ, সকল শিক্ষক এ কাজের যোগ্য না। অনেকে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না। সুতরাং রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম এমন দু’একজনকে এ দায়িত্ব দিবেন। যেমন অপারেশনের দায়িত্ব শুধু সার্জারী বিভাগের ডাক্তারকে দেয়া হয়। যে কোন ডাক্তার তা পারেন না। তবে ৩নং বর্ণিত হালকা শাস্তি যে কোন শিক্ষক দিতে পারেন। (মুহিউস সুন্নাহ আবরারুল হক রহ.)





বাচ্চাদের শাসন করার শর‘ঈ পদ্ধতি

ইসলামী জিন্দেগী,,,,,






রমজান মাসের করণীয় PDF FILE

রমজান মাসের করণীয়  PDF FILE 

মনসুরুল হক দামাত বারকাতুহুম





Thursday, 3 February 2022

BD SOKOL JELAR ZIP CODE PDF FILE

 Postal codes in Bangladesh


1.

CLICK HEAR

Postal codes in Bangladesh  PDF FILE


2..

https://drive.google.com/file/d/1ABCBWHrcT7JWsbtLs65M5xM1uPI2QPYv/view?usp=sharing


Friday, 28 January 2022

ALL LINKS (APPS)




  All Link

ক্যামটাসিয়া সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন এই লিংক থেকে : http://liveclass73.blogspot.com/p/software.html

স্যাম্পল অফার লেটার লিংক: Offer Letter sample download link:  https://drive.google.com/open?id=1FrWUkGk_wKjoR5Cvbr5wzSUVUBgL0mRX

Bijoy 52 Download Link: https://drive.google.com/drive/folders/1BhYApa6F1OnMsuwFjOOo2cCfLFnJqpCa?usp=sharing


Driver Pac Solution For Any Laptop or Desktop: https://drive.google.com/file/d/1PKLV-4Z-kYN6p6I7-tp1kLhR2YSFYg6j/view?usp=sharing

Test: https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScu7YytUg_Ycgf-rKEgyY7LQFmEbwW3uQSRbN7P12VDIjivxg/viewform



প্রতি শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত রাত ৯ টা পর্যন্ত সরাসরি জামাল স্যার ফ্রি ষ্টুডেন্টদেরকে সাপোর্ট দেন । ফ্রি সাপোর্ট লিংক:  https://us02web.zoom.us/j/2281799395?pwd=RHFkSW5nRGZXMFhTQTIzWjMzbHdFdz09

Zoom Link 2 ( Free Zoom): https://us04web.zoom.us/j/5313456365?pwd=RmFWbmoydUpEUTNhOWxJSGtMQW92dz09

Apply For Certificate: https://docs.google.com/forms/d/1VlgRSvTPDI7ndWvtnA6oIM80Mo6J5Z9xQp9_B-4lO_0/edit

Support Team Meeting: Password: ***35 Meeting Link: https://us04web.zoom.us/j/5313456365

Adobe Photoshop 2021 Software Link: https://drive.google.com/drive/folders/1Aqraf1FzI9ED4r50l2H7s34eFevePIxL?usp=sharing

Adobe illustrator 2021 Software Link : https://drive.google.com/drive/folders/1ijINnXlao1PZJlQ8oVgV86qedCSfAIBA?usp=sharing

Adoble Premier 2021 Software Link: https://drive.google.com/drive/folders/1AzRozDV5CU5pWvWRhauYfhp0m3votqBo?usp=sharing

Adobe After Effects 2021 Software Link: https://drive.google.com/drive/folders/1I_MU27J_0b5CTNxVQoUrPyOifmlkoWqx?usp=sharing

Video Scribe 2019: https://drive.google.com/drive/folders/11pnWrE3x6_o_24dRl5OZyIsxPJHe-73B?usp=sharing

Adobe Animate 2021 : https://drive.google.com/drive/folders/1Ra9z0eu4aywZXAHhfUBl-0DGkhbYiK1c?usp=sharing

Camtasia 2021: https://drive.google.com/drive/folders/1AY8njGWBvNncSQL0U1NJ1FeaP8SAJT_6?usp=sharing

Microsoft Office 2019: https://drive.google.com/drive/folders/1K-k5jEOMODm_q5jdWawXuKVzStVwLpWU?usp=sharing

Auto CAD 2021 : https://drive.google.com/drive/folders/1b7h2b9J_7uo659QFgsdWqFbX_7OqSbII?usp=sharing

Search

Search

Recent Posts

Recent Comments

  1. A WordPress Commenter on Hello world!

Archives

Categories






MD TANGIBUL ISLAM






Monday, 22 November 2021

ছেলেকে দেওয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশঃ

 ছেলেকে দেওয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশঃ

১. জুতা সেলাই বা রং করতে চাইলে মেরামতকারীর দোকানের সামনে পা বাড়িয়ে দিওনা, বরং জুতাটা খুলে নিজে একবার মুছে দিও।
২. কখনও কাউকে কামলা, কাজের লোক বা বুয়া বলে ডেকোনা। মনে রেখো তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদেরকে সম্মান দিয়ে ডেকো।
৩. বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবীর দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কখনও কাউকে ছোট করে দেখোনা। নইলে তুমি ছোট হয়ে যাবে।
৪. পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করো, কিন্তু কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।
৫. কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেওনা, সে লজ্জা পেতে পারে।
৬. সব সময় পাওয়ার চেয়ে দেয়ার চেষ্টা করো বেশি । মনে রেখো, প্রদানকারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।
৭. এমন কিছু করোনা যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে।
৮. ছেলে হয়ে জন্ম নিয়েছো, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেওনা।
৯. তোমার কি আছে তোমার গায়ে লেখা নেই। কিন্তু তোমার ব্যবহারে দেখা যাবে তোমার পরিবার কোথায় আছে।
১০. কখনও মার কথা শুনে বউকে এবং বউয়ের কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। কাউকে ফেলতে পারবে না।
১১. কারও বাসায় নিমন্ত্রন খেতে গেলে বাসায় দু-মুঠো ভাত খেয়ে যেও। অন্যের পাতিলের ভাতের আশায় থেকো না।
১২. কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করো না। কেউ খাবার ইচ্ছে করে অস্বাদ করার চেষ্টা করে না।
১৩. বড় হবার জন্য নয়, মানুষ হবার জন্য চেষ্টা করো।
১৪. শ্বশুর কিংবা শাশুড়িকে এতটা সম্মান দিও, যতটুকু সম্মান তোমার বাবা-মাকে দাও। এবং তাদের প্রতি এমন আচরন করো, যাতে করে তাদের মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।
১৫. সব সময় ভদ্র ও নম্রভাবে চলো এবং কথা বলো। কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোষ করোনা।

Tuesday, 19 October 2021

ফজর পড়ো রহম পাবে

 

ফজর পড়ো রহম পাবে

 

নিশীত রাতে যায় মিলিয়ে যখন কালো রেখা

সুবহে সাদিক উঁকি মারে পাই ফজরের দেখা ।

মুয়াজ্জিনের কন্ঠে শুনি রবের নামের বানি

ঘুমকাতুরে দেহটাকে জোরসে তখন টানি ।

নিশীত রাতে নিশি বকে বন বাদাড়ে ডাকে

আলোর ঘেরা ফজর আসে ভোরের ছবির ফাকে ।

করি আদায় রবের হুকুম ভরসা রেখে বুকে

অলস যারা বধির কানে জীবন যাবে ধূকে ।

সুবহে সাদিক দিলে উঁকি শয়তানের ওই ফাদে

পা রেখনা পজর পড়ো রহম পাবে কাঁদে ।

যিলহাজ্জ মাসের ১ম দশকের আমল

যিলহাজ্জ মাসের ১ম দশকের আমল




PDF   DOWNLOADE LINK

http://www.islamijindegi.com/wp-content/uploads/2016/08/jilhajjer_1st_doshoker_amal.pdf

Monday, 18 October 2021

PUBLICK GROUP




GROUP




PUBLIC GROUP

https://web.facebook.com/groups/955992278592894














দৈনন্দিন আমল ১ম

দৈনন্দিন আমল ১ম



সকল শ্রেণীর মুসলমানদের জন্য জরুরী

উভয় জগতে কামিয়াবীর জন্য হক্কানী উলামায়ে কেরাম ও বুযুর্গানে দীনের সাথে মুহাব্বত ও

শ্রদ্ধা রাখা জরুরী। আল্লাহ তা‘আলাকে পাওয়া এবং হেদায়েতের উপর কায়েম থাকার জন্য

আল্লাহওয়ালাদের সোহবত অপরিহার্য বিষয়। (সুরায়ে তাওবা ১১৯, সূরায়ে নাহল ৪৩)

দীনের খেদমতে নিয়োজিত উলামায়ে কেরামের কখনো সমালোচনা করবে না। এত নিজের

দীন ও ঈমানের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়। হ্যাঁ তাদের কোন ভুল ভ্রান্তি  থাকতে পারে, তারা

তো আর ফেরেশতা নন। তবে তাদের মুরব্বীগণ তাদের সে সব ভুলের সংশোধন করবেন।

এটা অন্যদের দায়িত্ব নয়। অধুনা অনেকে উলামায়ে কেরামের ভুল ধরে এবং একা একা

গবেষণা করে বা আল্লাহওয়ালাদের সোহবত বঞ্চিত ইসলামী চিন্তাবিদদের অনুসরণ করে

দীনদার হতে চায়। এটা গোমরাহী ও দোযখের রাস্তা। তাই এ পথ কখনো অবলম্বন করবে না।

নিঃস্বার্থ ও হক্কানী উলামায়ে কেরামের সাথে পরামর্শক্রমে নিচের কাজগুলো সারাজীবন

আনজাম দিতে হবেঃ

ক. ঈমানী বিষয়ের তা‘লীমের মাধ্যমে নিজের ঈমান ও আক্বীদা বিশ্বাসকে সঠিক করতে হবে

এবং ঈমানকে কুফরী ও শিরকী বিশ্বাস থেকে হেফাজত করতে হবে এবং ঈমানী দাওয়াতের

মাধ্যমে ঈমানকে মজবুত ও পোক্তা করতে হবে। (সূরায়ে নিসা ১১৫, সূরায়ে বাকারা ১৩)

খ. ইবাদাত তথা নামায, রোযা, কুরআনে কারীমের তিলাওয়াত, যাকাত, হজ্জ্ব ইত্যাদি

ইবাদাতসমূহ সুন্নাত মুতাবিক সুন্দরভাবে করতে হবে। এর জন্য হক্কানী আলেমদের মজলিসে

শরীক হয়ে নামায ও অন্যান্য আমলের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। (সূরায়ে আলে ইমরান ৩১,

তিরমিযী ২৬৭৮, মুয়াত্তা মালেক ৪৩৩)

গ. মু‘আমালাত তথা হালাল রিযিকের পাবন্দী করবে। সুতরাং ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবি,

কৃষিজীবীসহ সকল স্তরের উপার্জনকারী স্ব-স্ব পেশার হালাল-হারাম কোন হক্কানী মুফতী

থেকে ভালভাবে জেনে নিবে। কারো ইনতিকাল হলে মীরাছ বণ্টনে দেরী করবে না,

তার কোন ইয়াতীম বাচ্চা থাকলে তার অংশ খুব হেফাজত করবে, তার মাল খাওয়া থেকে

কঠোরভাবে বিরত থাকবে। হালাল রিযিক ইবাদতের দিকে ধাবিত করে আর হারাম রিযিক

গোনাহের দিকে ধাবিত করে। (সূরায়ে মুমিনূন-৫১, সূরায়ে বাকারাহ-১৬৮)

ঘ. মু‘আশারাত তথা বান্দার হক বিশেষ করে পিতা-মাতা, বিবি বাচ্চা ও অন্যান্যদের হক হক্কানী

উলামায়ে কেরাম থেকে জেনে নিয়ে তা পরিপূর্ণভাবে আদায় করবে। কারো হক নষ্ট করবে না।

কাউকে অনর্থক কষ্ট দিবে না। এমনকি জীব-জন্তুকে কষ্ট দেয়া থেকেও বিরত থাকবে। নিজের

হক উসুলের তুলনায় অন্যের হক আদায় করাকে প্রাধান্য দিবে। আল্লাহর হক আল্লাহ হয়তো

মাফ করে দিবেন কিন্তু বান্দার হক তিনি মাফ করবেন না। হাশরের ময়দানে পাওনাদারকে

নেকী দিতে হবে কিংবা তার গোনাহের বোঝা বহন করতে হবে। (সূরায়ে নিসা ৩৬,

খারী শরীফ ৬৪৮৪)

ঙ. তাযকিয়াহ তথা আত্মশুদ্ধির ফিকির রাখবে। কুরআনে কারীমে আত্মশুদ্ধির গুরুত্বারোপ

করতে গিয়ে যত কসম ব্যবহৃত হয়েছে অন্য কোন হুকুমের ব্যাপারে তা হয়নি।

সুতরাং অন্তরের দশটি মন্দ স্বভাব তথা আধ্যাত্মিক রোগ বা গুনাহ সংশোধনের মাধ্যমে

যাবতীয় গুনাহ পরিত্যাগ করার জন্য এবং অন্তরের দশটি ভাল স্বভাব অর্জনের লক্ষ্যে

নির্দিষ্ট কোন আল্লাহওয়ালা শাইখের সাথে সরাসরি অথবা চিঠিপত্রের মাধ্যমে ইসলাহী

সম্পর্ক রাখাকে ফরয মনে করবে। এবং সুযোগমত তাদের মজলিসে বসতে চেষ্টা করবে।

(সূরায়ে শামস-৯-১০, মুসলিম শরীফ হাঃ নং ১৫৯৯)

* এই পাঁচটি বিষয়ের ইলম অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরযে আইন

এবং এ পাঁচ বিষয়ের উপর আমলকারীকে মুত্তাকী বা আল্লাহওয়ালা বলা হয় এবং

প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য আল্লাহওয়ালা হওয়া ফরয। (বাকারা-১৭৭)

আল্লাহর দীনের জন্য সময় ফারেগ করা

উল্লেখিত পাঁচটি বিষয়ের উপর আমল করার লক্ষ্যে সারা জীবন দাওয়াত, তা‘লীম,

তাযকিয়াহ-এই তিন প্রকার মেহনতের জন্য সময় বের করবে। এর কোন একটির জন্য

মেহনত করাকে যথেষ্ট মনে করবে না। এ তিনটির ব্যাখ্যা হক্কানী উলামায়ে কেরাম থেকে

জেনে নিবে। (বাকারা-১২৯, আলে ইমরান-১৬৪)

দৈনন্দিন আমল

জামা‘আতের সাথে নামায আদায় করা

পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায জামা‘আতের সাথে আদায় করবে। জামা‘আতের সাথে নামায পড়া

ওয়াজিব। জামা‘আত তরককারী ফাসিক হিসেবে গণ্য হবে। তাহাজ্জুদ সহ অন্যান্য নফল

নামায পড়বে। মহিলাদের জন্য বিনা উযরে মসজিদে গিয়ে জামা‘আতে শরীক হওয়া

নাজায়িয ও গুনাহ। (বাকারা-৪২, বুখারী-৯৬)

গুনাহ বর্জন

শিরক বিদ‘আত ও গুনাহ থেকে কঠোরভাবে বেঁচে থাকবে। একটি গুনাহই মানুষকে

দোযখে নিয়ে যেতে পারে। নেক কাজ দুধের মত আর গুনাহ হল বিষের মত।

উভয়টি একত্রিত হলে বিষের ক্রিয়াই প্রকাশ পায়। (আনআম-১২০, মিশকাত-২২৮)

সুন্নাতের অনুসরণ

প্রতিটি কাজ নবীজীর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুন্নাত অনুযায়ী করার জন্য সুন্নাত

শিখতে থাকবে, সুন্নাতের প্রশিক্ষণ নিবে এবং তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সহজ সুন্নাতকে

(তথাঃ ক. পরস্পর সালাম আদান প্রদান। খ. উপরে উঠতে আল্লাহু আকবার বলা।

নিচে নামতে সুবহানাল্লাহ বলা। সমতলে চলতে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’র যিকির করা।

গ.প্রত্যেক ভাল কাজে ডানকে প্রাধান্য দেওয়া। নিম্ন কাজে বামকে প্রাধান্য দেওয়া)

আমলে আনবে। যাতে করে অবশিষ্ট সকল সুন্নাতের উপর আমল করা সহজ হয়ে যায়।

(আলে ইমরান-৩১)

কুরআন শরীফ তিলাওয়াত

কুরআনে কারীমের সহীহ শুদ্ধ তিলাওয়াত করবে। এটা ফরয। সূরা কিরা‘আত অশুদ্ধ

তিলাওয়াত করা বড়ই আফসোসের বিষয়। ফরয তরককারী কখনো আল্লাহর ওলী হতে পারে না।

প্রতিদিন এক পারা করে কুরআন তিলাওয়াত করতে চেষ্টা করবে। এজন্যই কুরআনকে

ত্রিশ পারায় বিভক্ত করা হয়েছে। যারা হাফেয তারা তিন পারা করে তিলাওয়াত করবে।

তবে সাধারণ অবস্থায় সাত দিন বা তিন দিনের কমে খতম করবে না। কেননা,

হাদীস শরীফে তাড়াহুড়া করে খতম করতে নিষেধ করা হয়েছে। বাদ ফজর সূরায়ে ইয়াসীন,

বাদ মাগরিব সূরায়ে ওয়াক্বিয়াহ ও শোয়ার পূর্বে সূরায়ে মুলক তিলাওয়াত করবে।

(আবু দাউদ-১৩৮৮)

ফরয নামাযের পরে ওজীফা পড়বে

প্রত্যেক ফরয নামাযের পরে তিনবার ইস্তিগফার পড়বে। (তাবারানী কাবীর-৮৫৪১)

أَسْتَغْفِرُ الله الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

এবং এ দু‘আটি পড়লেও ভাল হয়। (বুখারী শরীফ-১/১১৭)

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ اللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আরো কিছু দু‘আ কালাম আছে যা ফরযের পর সুন্নাত ও নফল থাকলে, সুন্নাত ও নফলের পরে পড়বে।

আর সুন্নাত নফল না থাকলে ফরযের পরে পড়বে।

(ক) আয়াতুল কুরসী, একবার। (নাসাঈ-৯৮৪৮)

(খ) সূরা ফালাক, সূরা নাস-তিনবার করে, এর সাথে সূরায়ে কাফিরুন ও ইখলাস মিলিয়ে নিলে

ভাল। (তিরমিযী-২৯০৩)

(গ) তাসবীহে ফাতেমী একবার। (৩৩ বার سُبحَا نَ ا لله, ৩৩ বার اَلحَمدُ لِلّهِ, ৩৪ বার اَللهُ اَكبَر)

(মুসলিম ৫৯৭)

এগুলো পাঁচ ওয়াক্তেই পড়বে। শুধু ফজর ও মাগরিবে এ তিনটির আগে নিচের দুটি পড়বে।

(ঘ) اللَّهُمَّ أجِرْنِي مِنَ النَّارِ

(ঙ) ফজর ও মাগরিবের পর পড়বে-৩ বার اعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم পড়ে, বিসমিল্লাহ

পড়ার পর ১ বার سورة الحشر এর শেষ ৩ আয়াত পড়বে। (তিরমিযী, ২ : ১২০)

বিঃদ্রঃ হাদীসে আরো কিছু দু‘আ আছে, সুযোগ হলে সেগুলোও পড়বে। জুমু‘আর দিন

আসরের পরে এই দুরুদটি ৮০ বার পড়বে।

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍن النَّبِيِّ الأُمَّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَسلم تَسْلِيمًا

* তাছাড়া প্রতিদিন যে কোন সময় একশবার দুরূদ শরীফ পড়বে। (আদদুররুল মানদূদ-১৬০)

* প্রতিদিন মুনাজাতে মকবূল থেকে এক মনযিল পাঠ করতে চেষ্টা করবে।

* আল্লাহ তা‘আলার যিকির করবে

* তাহাজ্জুদের পরে বা ফজরের পরে অথবা যখন সুযোগ হয় আসন দিয়ে বসবে।

তারপরে কয়েকবার ইস্তিগফার ও কয়েকবার সহীহ দরূদ শরীফ পড়বে। (ইবনে হিব্বান-৮১৭)

* তারপরে কসদুস সাবীলের বর্ণনা অনুযায়ী যিকির করবে। যিকিরের সময়

শরীর সামান্য হেলাবে। যথেষ্ট পরিমাণ সময় না পেলে বা অন্য কোন সমস্যা

হলে বার তাসবীহ এর যিকির করবে।

* বার তাসবীহ এর যিকিরের বিবরণ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ২০০ বার (১০/১৫ বার পর পর পূর্ণ কালেমা)

ইল্লাল্লাহ ৪০০ বার। (প্রত্যেকটায় একবার পরে শ্বাস ফেলবে।)

আল্লাহু আল্লাহ ৬০০ বার। (প্রথমটার শেষে পেশ।)

আল্লাহ ১০০ বার। (শেষে সাকিন।)





DOWNLOAD KORTE CLICK KORON


HEAR>